শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী জন্মবার্ষিকীতে সেলাই মেশিন বিতরন।

শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী জন্মবার্ষিকীতে সেলাই মেশিন বিতরন।

নিজস্ব প্রতিবেদক:বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোহার উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তবে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আলমগীর হোসেন বলেন,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী, মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৩০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট কালরাতে তিনি জাতির পিতার হত্যাকারীদের হাতে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করেন।বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কেবল একজন প্রাক্তন রাষ্ট্রনায়কের সহধর্মিণীই ছিলেন না,তিনি বাঙালির মুক্তি সংগ্রামে অন্যতম এক নেপথ্য অনুপ্রেরণাদাত্রী। বাঙালি জাতির সুদীর্ঘ স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি বঙ্গবন্ধুকে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন। ছায়ার মতো অনুসরণ করেছেন প্রাণপ্রিয় স্বামী বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে।

বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানটি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য সরাসরি দেখার সুযোগ করে দেন দোহার উপজেলা নিবাহী অফিসার এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ।
পরে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নারীদের স্বাভলম্বি করতে উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার রহিমা বেগমের সভাপতিত্বে সেলাই মেশিন বিতরন করা হয়। এ সময়ে ইউএনও ফিরোজ মাহমুদ বলেন,আজকের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো’বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব’ ত্যাগ ও সুন্দরের সাহসী প্রতিক।তিনি আরোও বলেন,
জীবনে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেছন বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব। এজন্য অনেক কষ্ট-দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাকে। বঙ্গবন্ধুর সমগ্র রাজনৈতিক জীবনে ছায়ার মতো অনুসরণ করে তার প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অফুরান প্রেরণার উৎস হয়েছিলেন বেগম ফজিলাতুন মুজিব। বাঙালি জাতির মুক্তি সনদ ছয়-দফা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু যখন বারে বারে পাকিস্তানি শাসকদের হাতে বন্দি জীবন যাপন করছিলেন, তখন দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী বঙ্গমাতার কাছে ছুটে আসতেন, তিনি তাদের বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিকনির্দেশনা বুঝিয়ে দিতেন এবং লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা জোগাতেন। যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
দোহার,ঢাকা।

জাতীয়